Sponser

বাংলাদেশে ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমাতে কি করণীয়






 বাংলাদেশে ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমাতে কি করণীয়:




ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানোর জন্য ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে আনা প্রয়োজন:

১. নদীখাল বিল ও জলাশয় সংস্কার প্রয়োজন খননের মাধ্যমে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো যায় এতে করে শেষের আবাদি এলাকা বেড়ে যাবে

২. নদীতে রাবারটেম স্থাপনের মাধ্যমে পানির ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে

৩. বড় বড় নদীতে শেষ কিম স্থাপনের মাধ্যমে সংযুক্ত খালগুলোতে পানি সরবরাহ করা দরকার

৪. নদীখাল বিল ও জলাশয় এলএলবি স্থাপনের মাধ্যমে পানি শেষ বাড়ানো যেতে পারে

৫. সোলার প্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পানি শেষ বাড়ানো যেতে পারে


পাতকূয়া খনন ও ব্যবহারঃ

উঁচু বরেন্দ্র ভূমির যে সমস্ত এলাকায়খাবার পানির তীব্র সংকট, গৃহস্থালীর কাজসহ শাক সব্জির আবাদ করাও সম্ভব হয় না। সেই সমস্ত এলাকায় লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাতকুয়া খনন করা দরকার ।ফানেল আকৃতির কাঠামোতে সোলার প্যানেল স্থাপন করে বৃষ্টির পানি পাতকুয়াতে সংগ্রহপূর্বক সোলার পাম্পের মাধ্যমে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর ফলে পাতকুয়ার অনাবাদী জমিতে শাক সব্জিসহ বিভিন্ন ধরণের কম পানি ব্যবহারকারী অন্যান্য ফসলের (আলু, বেগুন, টমেটো, ছোলা, লাউ, কুমড়া, ভুট্টা ইত্যাদি চাষাবাদ করা যায়।


জলাবদ্ধ জমির জলাবদ্ধতা দূরিকরণ ও সেচ উপযোগীকরণঃ

কর্তৃপক্ষের কিছু জমিতে বর্ষার পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে ঐ সমস্ত জমিতে চাষাবাদ করা সম্ভব হয়না। কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জলাবদ্ধ জমির পানি পাইপ লাইনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী নদী ও খালে প্রবেশ করিয়ে তা সেচকাজে ব্যবহারের উপযোগী করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও জলাবদ্ধ জমিতে সেচ প্রদানের মাধ্যমে ফসল উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।

 

গ্রামীণ সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষনাবেক্ষণঃ

বাজারজাতকরণের মাধ্যমে প্রকৃত নগদ মূল্য প্রাপ্তিও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া নির্মিত সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানা গড়ে উঠায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

 

গভীর নলকূপ হতে খাবার পানি সরবরাহঃ

বরেন্দ্র অঞ্চলে খাবার পানির অত্যন্ত দূষ্প্রাপ্যতা রয়েছে। এলাকার জনগণ পূর্বে পুকুর, নদী-নালা, খাল-বিলের পানি খাবারসহ গৃহস্থালীর নানা কাজে ব্যবহার করতো। এতে করে অনেকেই বিভিন্ন ধরণের পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হতো। বিএমডিএ’র গভীর নলকূপ চালু হলে জনগণ গভীর নলকূপ থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করা সহজ হবে।

 

বৃক্ষ রোপণঃ

মরুপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের পরিবেশ উন্নয়ন ও মরুময়তা রোধ তথা প্রাকৃতিক ভারসাম্যতা আনায়নের লক্ষ্যে রাস্তার ধারে, পুকুর পারে খালের পাড়ে ও অন্যান্য সরকারী খাস জায়গায় বৃক্ষরোপন করা যায়।

 

বীজ উৎপাদন ও সরবরাহঃ

উন্নত বীজ মানেই অধিক ফলন। অর্থাৎ ভালো ফসলের জন্য চাই ভালো বীজ। সময়মত ও মানসম্মত বীজের অভাবে বরেন্দ্র এলাকার কৃষক একসময় উৎপাদনে ক্ষতিগ্রস্থ হতো। বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ এখন চুক্তিবদ্ধ কৃষকের মাধ্যমে মানসম্মত বীজ উৎপাদন করে কৃষকের মাধ্যমে সরবরাহ করছে ফলে কৃষক উপকৃত হচ্ছে এবং ফসল উৎপাদন ভালো

 

অপ্রচলিত ফলের চারা ও ফসলের বীজ সরবরাহ এবং প্রদর্শণী খামার স্থাপনঃ

অপ্রচলিত ফলের চারা রোপণ ও ফসলের বীজ সরবরাহ করে বরেন্দ্র এলাকার কৃষকদেরকে অপ্রচলিত উচ্চমূল্য ফল ও ফসলের বানিজ্যিক চাষে উদ্বুদ্ধ করা যায়। এর ফলে কৃষকের আয় বহুগুন বৃদ্ধি পাবে, ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সার্বিক পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। এছাড়া কৃষকদেরকে অপ্রচলিত উচ্চমূল্য ফল ও  ফসল চাষ

 

কৃষক প্রশিক্ষণঃ

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার উৎপাদন বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।

Post a Comment

0 Comments