Sponser

কৃষিতে শ্রমিক এর ব্যবহার কমিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব

 

কৃষিতে শ্রমিক এর ব্যবহার কমিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব



বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ ।এই দেশে কৃষি অনেকটাই শ্রমিক নির্ভর । কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেকানাইজেশন শুরু হয়েছে, ভবিষ্যতে আরো অনেক আরো  যন্ত্র ব্যবহার কৃষিতে চালু হবে। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে অধিকাংশ কৃষিতেই শ্রমিকের ব্যবহার করা হচ্ছে।

কৃষিতে কৃষিতে শ্রমিক বেশি হওয়ার কারণ কি? 

বাংলাদেশ গণবসতিপূর্ণ দেশ। ছোট্ট আয়তনের দেশে অনেক লোকের বসবাস ।বেশিরভাগ লোকই ভূমিহীন এবং কৃষিতেই শ্রম দিয়ে থাকে দক্ষতা আধুনিক দক্ষতা না থাকার কারণে অধিকাংশ শ্রমিক কৃষি কজ করে থাকে কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার যথেষ্ট পরিমাণে শুরু না হওয়ায় শ্রমিকরাই এই কাজগুলো করে থাকে। ফলে কৃষিতে শ্রমিক বেড়ে গেছে ।

শ্রমিক বেশি হওয়ার কৃষিতে কি প্রভাব?

শ্রমিক নির্ভর হওয়ায় কৃষি হওয়ায় অনেক কাজে খরচ বেশি হয়ে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে 

কারণ কৃষিতে অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয় । যদি মেকানাইজেশন না করা হয় অনেক শ্রমিকের ব্যবহারের কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি যায় । উদাহরণ হিসেবে বলা যায় বাংলাদেশের ধান উৎপাদনে শ্রমিকের খরচ উৎপাদন খরচের প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি। যদি যন্ত্র পাতি ব্যবহার করে ধান চাষ করা হতো তাহলে উৎপাদন খরচ অনেক কমে যেত এবং  শ্রমিকের খরচ বেশি হওয়ার কারণে দাম বেড়ে যায়।


কৃষিতে শ্রমিক বা জনবলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন খরচ কমানo

 বর্তমান আধুনিক কৃষির একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর কৌশল। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে চাষাবাদে প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন হয়, যা সামগ্রিক উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয় এবং কৃষকের মুনাফা কমিয়ে দেয়। 

১. কৃষি যান্ত্রিকীকরণের প্রভাব

 স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি:ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, কম্বাইন হারভেস্টার এবং রাইস ট্রান্সপ্লান্টার ব্যবহারের মাধ্যমে জমি তৈরি, চারা রোপণ ও ফসল কাটা অত্যন্ত কম খরচে সম্পন্ন করা সম্ভব। এইসব যন্ত্রপাতি কৃষিতে ব্যবহার বাড়ালে সময় সাশ্রয় শ্রমিক কম লাগবে উৎপাদন ব্যয় অনেক কমে যাবে এবং উৎপাদনে অনেক বৃদ্ধি পায়।

  সংকটের মৌসুমে সময়মতো কাজ শেষ করতে আধুনিক যন্ত্রপাতির বিকল্প নেই, যা ফসলের অপচয় রোধ করে।

২. আধুনিক প্রযুক্তির সুফল

 স্মার্ট সেচ ব্যবস্থা:

 ড্রিপ ইরিগেশন বা অটোমেটেড স্প্রিংকলার সিস্টেমের সাহায্যে সেচ কাজ পরিচালনা করলে পানির অপচয় এবং শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তা দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

 নির্ভুল সার ও বালাইনাশক প্রয়োগ:

আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট মাত্রায় সার ও কীটনাশক ছিটানো হলে উপকরণের অপচয় হ্রাস পায় এবং শ্রমিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে।

৩. প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

 প্রাথমিক বিনিয়োগ:

 উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির প্রাথমিক ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় প্রান্তিক কৃষকদের পক্ষে তা একা সংগ্রহ করা কঠিন হয়।

 *প্রশিক্ষণের অভাব:

* আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত কারিগরি জ্ঞান বা প্রশিক্ষণের ঘাটতি থাকে।

৪. করণীয় পদক্ষেপ

 * **সমবায়ভিত্তিক কৃষি

:** কৃষকরা যৌথভাবে বা সমবায় সমিতির মাধ্যমে ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ব্যবহার করলে প্রত্যেকের ওপর আর্থিক চাপ কমে যায়।

 *সরকারি ভর্তুকি ও সহায়তা:

** সরকারি প্রণোদনা এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ যান্ত্রিকীকরণের গতি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শ্রমিকদের দক্ষ কাজে নিয়োজিত করা 

কৃষির শ্রমিক অন্য কাজে নিয়োজিত করে দেশের দক্ষ জনশক্তি যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার এর জন্য প্রয়োজন শ্রমিকদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান যেমন গার্মেন্টস শিল্প ইত্যাদি কাজে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে তোলা উচিত

শ্রমিকদের অনেক কাজে দক্ষতা না থাকার কারণে ভালো কাজে নিয়োজিত করা যাচ্ছে না এর জন্য দরকার আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়িয়ে বিভিন্ন শিল্প কারখানায় নিয়োজিত করা যায় 

বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি করে রেমিডেন্স বানানো যায় 

মেকানাইজেশন এর কৃষিতে শ্রমিকদের ব্যবহার বাড়িয়ে উৎপাদন বাড়ানো যায় 

বিদেশে যাদের শ্রমিক কম সেই সব দেশে শ্রমিক পাঠিয়ে তাদের মাধ্যমে রেমিটেন

Post a Comment

0 Comments